আবজাব

অবশেষে লিনাক্সে অভ্র আসিলো!

Posted by: m@q on: সেপ্টেম্বর 4, 2009

কোমলমতি এই নাদানের মরা কান্নায় বোধকরি অবশেষে অভ্র জনকের ধ্যান ভাঙ্গিল। তিনি অভ্রকে লিনাক্সের পরিসরে আনিবার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছিলেন। তারই ফলস্বরূপ বারোখান ঘন্টক পূর্বে সকল বাধা অতিক্রম করিয়া লিনাক্সের মহিমান্বিত জগতে অভ্র প্রবেশ করিল। লিনাক্স ব্যবহারকারিগনদের নিকট এই সংবাদ যেন ভাদ্র মাসের সুপরিচিত আউলাটক্কা গরমের মধ্যে ভারিবর্ষনের ন্যায় সুসংবাদের জলধারা স্বরূপ বর্ষিত হইয়াছে। লিনাক্স অনুরাগীগন অদ্য হইতে অভ্রের জাদুকর স্পর্শ লিনাক্সে চাখিয়া দেখিবার সুযোগ পাইবেন।

আপাতত ইহা কেবলমাত্র উবুন্টু ৯.০৪ এবং লিনাক্স মিন্ট ৭ এ পরীক্ষা করা হইলেও অতি শীঘ্রই ইহা অন্যান্য লিনাক্সের জন্য মুক্ত করা হইবে।

পরিশেষে যাহারা ইহা চাখিয়া দেখিতে চান তাহারা দয়া করিয়া এইখানে একটিবার ভ্রমন করিয়া আসুন।

লিনাক্স মিন্টে হড়বড় করিয়া চলিতেছে অভ্র!

লিনাক্স মিন্টে হড়বড় করিয়া চলিতেছে অভ্র!

একটি বর্ষাপ্লাবিত দিন!

Posted by: m@q on: অগাষ্ট 1, 2009

বাংলাদেশে এসে অনেকদিন পর কুকুর-বিড়াক টাইপের মুষলধারে বৃষ্টি দেখলাম। কথা নাই বার্তা নাই রাত বারটার দিকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হল। ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টি বেশ ভালোই লাগলো। রাতে আরামে ঘুমানো যাবে চিন্তা করেই বিছানায় চলে গেলাম! তাছাড়া আবার পরদিন আমার পুরনো কর্মক্ষেত্রে প্রাক্তন কলিগদের সাথে দেখা করার কথা। তাই এমন বৃষ্টির রাতে ঝরঝরে ঘুম হওয়াটা বেশ জরুরি ব্যাপার।

পরদিন সকালে সকাল আটটার দিকে ঘুম ভাঙলো। বাইরে তখনো বৃষ্টি হচ্ছে! একটানা বৃষ্টি হচ্ছে নাকি মাঝে বন্ধ হয়ে আবার শুরুর হয়েছে বোঝার কোন উপায় নাই। বন্ধ হয়ে থাকবে হয়তো, কারন টানা বৃষ্টি বাংলা দেশে দেখিনা বহুদিন। ছোটবেলায় এমন বৃষ্টি নামতো যে স্কুল ছুটি করে দেয়া হত, ঐদিনকে বলা হত রেইনি ডে। সেসময় ঝুম বৃষ্টি হলেই দোয়া পড়তাম যেন স্কুল বন্ধ ঘোষনা করে! সেরকম বৃষ্টি দেখিনা অনেক বছর। এইসব হাবিজাবি ভাবতে ভাবতে দেখি আম্মু চলে এসেছে। প্রতিদিন সকালে ছোট বোনকে কলেজে দিয়ে আম্মু বাসায় চলে আসে। তবে আজকে ব্যতিক্রম, সঙ্গে দেখি বোনও চলে এসেছে? কাহিনী কি! পরে শুনি আজকে ওদের স্কুলে রেইনি ডে!

Read the rest of this entry »

রঙ্গীন দুনিয়া – ৯

Posted by: m@q on: জুন 5, 2009

বহুদিন ধরে লেখা হয়না। অনেকগুলো কারনের মধ্যে প্রধান কারন হচ্ছে ফাঁকিবাজী। ইদানিং সবকিছুতেই ফাঁকিবাজী করতে ইচ্ছে করে। আমার ইংলিশ ব্লগটা আপডেট করিনা, ফেসবুকে বন্ধুদের ওয়ালে লিখিনা, একেরপর এক এসাইনমেন্ট বাকী পড়ছে, পরীক্ষার পড়া জমে উঠেছে – সবকিছুতেই ফাঁকি দিচ্ছি। মাঝখানে ওয়াটারলু, বেলজিয়াম আর ট্যাসেলে গিয়েছিলাম, ফাঁকিবাজীর ঠ্যালায় পড়ে সেইগুলা কিছুই লেখা হয়নাই। গত সপ্তাহে হঠাৎ করে জার্মানি গেলাম। এই জায়গাতেও ফাঁকি মারতে ইচ্ছা করছিল, তারপর কী যেন মনে করে লিখতে ইচ্ছা করল। তাই ল্যাপিটাকে কোলের উপর নিয়ে বসে লিখতে শুরু করলাম।

প্রথমেই জানতে হবে জার্মানি যাবার কেন ঠ্যাকা পড়লো। মামীর এক আপা সম্পর্কীয় আত্মীয় জার্মানীতে তার ছেলের বাসায় এসেছে। সেই মহিলার হঠাৎ করেই মামীকে দেখবার খায়েশ হলো (সেই সাথে হল্যান্ড আসার খায়েশও ছিল), সেই খায়েশ পূরণ করতে জার্মানী যেতে হবে। প্ল্যান মোতাবেক, মামীরা প্রথমে জার্মানি যাবে তারপর ছেলেসহ আপাকে হল্যান্ডে আনা হবে- পুরোটাই হবে একটা রোডট্রিপ! যেহেতু রোডট্রিপ সেহেতু পুরাপুরি নেভিগেটরের উপর নির্ভর করতে হবে, যেহেতু নেভিগেটরের উপর নির্ভর করতে হবে সেহেতু মামীর চেয়ে আমি বেশি রিলায়েবল (মামী আবার টেকনোসাইডে কিঞ্চিত কচি-কাঁচা), যেহেতু আমি বেশি রিলায়েবল সেহেতু মামা আমাকে নিবেই নিবে, যেহেতু আমাকে নিবেই নিবে সেহেতু আমার না গিয়ে কোন গতি নাই, যেহেতু আমার না গিয়ে কোন গতি নাই সেহেতু যাবার আগের দিন রাতের বেলা ঠিকানা নিয়ে নেভিগেটর সেট করতে বসলাম। ঠিকানা বলছে জার্মানির উল্‌ম শহরে যেতে হবে, নেভিগেটরে ঠিকানা ঢুকানোর পর দেখি ডিস্ট্যান্স দেখাচ্ছে ৭১৬ কিমি! বিশাল ড্রাইভিং ডিস্ট্যান্স! প্রায় তিনবার ঢাকা-চিটাগাং আসা যাওয়া করা যাবে। অবশ্য সেই তুলনায় সময় কম লাগবে, একটানা যেতে পারলে নেভিগেটরের হিসাব অনুযায়ী ছয় ঘন্টায় যাওয়া সম্ভব। ইউরোপীয়ান রাস্তা বলে কথা!

Read the rest of this entry »

তখন ক্লাশ সিক্সে পড়ি, কিশোর বয়স। কমিক্সের পাশাপাশি তিনগোয়েন্দা পড়া শুরু করেছি মাত্র। একদিন ক্লাশে মুশফিকের কাছে একটা বই দেখলাম, নাম “দুষ্ট ছেলের দল”, লেখকের নাম পরিচিত জাফর ইকবাল! পরিচিত এই হিসেবে যে আমি জাফর ইকবাল কে চিনতাম, আসলে একজন জাফর ইকবালকেই আমি চিনতাম, সে লোক সিনেমার হিরো ছিলো! আমি তো অবাক, সিনেমার হিরোরা বই লিখতে পারে বলে আমার কোন ধারনা ছিলোনা, তাও আবার কিশোর উপন্যাস! মূশফিক জিজ্ঞেস করলো যে বইটা আমি পড়ব নাকি! আমি তখন কিশোরদের বই বলতে চিনি তিনগোয়েন্দা, গোয়েন্দা রাজু, ফেলুদা, শঙ্কু – এইসব। তখন আমার প্রিয় লেখক ছিল সত্যজিত রায় (এখনো আছে!)। সেই লোকের গল্প, উপন্যাস, ছড়া, আঁকাআঁকি- সবকিছুতেই আমি মুগ্ধ! তাই কোথাকার কোন সিনেমাওয়ালা বই লিখেছে, সেটা পড়ার কোন উৎসাহ আমার মধ্যে হলনা। আমি না বলে দিলাম। মুশফিক দমবার পাত্র না, সে বুঝাতে লাগলো এই লোক হুমায়ুন আহমেদের আপন ভাই। হুমায়ুন আহমেদকে সবাই খুব পছন্দ করলেও কেন জানি আমি পছন্দ করিনা, আমার মতে তার সবচেয়ে দারুন সৃষ্টি হচ্ছে “বোতল ভূত” (যে বইটা পড়ে আমি হোমিওপ্যাথিকের শিশিতে কাগজ পোড়ানো ধোঁয়া ভরে সত্যি সত্যি পকেটে ভরে হাঁটতাম)। তাই হুমায়ুন আহমেদের ভাই শুনে মনটা আরো দমে গেল!

মাসখানেক পরের কথা। ছোটবেলায় চিটাগাং নিউমার্কেটে গেলে মিনিমাম একটা বই কেনা ছিল আমার রুটিন ওয়ার্ক। আম্মুর সাথে নিউমার্কেট গিয়ে সেই রুটিন কাজের অংশ হিসেবে বইয়ের দোকানের সামনে যখন গেলাম তখন দেখি দোকানি “দুষ্ট ছেলের দল” ঝুলিয়ে রেখেছে। কী মনে হল কে জানে, ঐ বইটা কিনে ফেললাম। বাসায় আসার পর যখন বইটা এক নিঃশ্বাসে শেষ করে ফেললাম তখন অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় আরেকটা নতুন নাম ঢুকে পড়েছে – মুহম্মদ জাফর ইকবাল!

Read the rest of this entry »

ছবিতা ০১

Posted by: m@q on: মে 22, 2009

ছবি আর কবিতা নিয়ে একটা পরীক্ষামূলক জগাখিচুড়ি প্রজেক্ট এই লেখাটা। শিরোনামে “০১” ব্যবহার করলেও এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত না যে “০২” আদৌ আসবে কিনা! এই জগাখিচুড়ি তে যদি কারো বদহজম হয় তাহলে অবশ্যই জানাবেন, বদহজম না হলেও জানাবেন! :D

আরো বড় করে দেখতে হলে ছবিটার উপর ক্লিক করুন।

Read the rest of this entry »

বাংলা ব্লগস্ফিয়ার

আমার আংরেজি ব্লগ

গুঁতোগুঁতির রেকর্ড

  • 3,053 খানা গুঁতো

ক্যালেন্ডার

নভেম্বর 2009
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« সেপ্টে    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

বাংলায় কমেন্ট করুন!


আর্কাইভ

ক্যাটাগরী

বুকমার্ক ও অন্যান্য

এই মুহূর্তে যে ক’জন ব্লগটি পড়ছেন

দুনিয়াজোড়া পাঠক সমাহার

আপনার ভোট দিয়েছেন কি?

যে ব্রাউজার দিয়ে এই ব্লগটি ভালোভাবে দেখা যায়

কপিরাইট © ২০০৯

সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিতঃ আদনান কাইয়ুম

Page copy protected against web site content infringement by Copyscape